বিস্তারিত

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে দক্ষিণ সুরমার চণ্ডিপুল এলাকা থেকে ছাতকের উদ্দেশ্যে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠেন ভুক্তভোগী নারী। অভিযোগ অনুযায়ী, চালক সাইদুর রহমান তাকে নির্ধারিত গন্তব্যে না নিয়ে বিশ্বনাথ উপজেলার অলংকারি ইউনিয়নের আলমনগর গ্রামের একটি বাড়িতে নিয়ে যান।

সেখানে আগে থেকেই অবস্থান করা কয়েকজন সহযোগীর সঙ্গে মিলে ওই নারীকে জোরপূর্বক আটকে রেখে পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

ঘটনার পর বুধবার (১৬ জুলাই) সকালে ভুক্তভোগী বিশ্বনাথ থানায় মামলা করেন। মামলায় হায়াতেরগাঁও গ্রামের গয়াছ মিয়া গেদা, সাইদুর রহমান, আলমনগর গ্রামের আশিক মিয়া ও বটতলা এলাকার আমির আলীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি আরও একজন অজ্ঞাত ব্যক্তিকেও আসামি করা হয়েছে।

মামলার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি গয়াছ মিয়া গেদাকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ভুক্তভোগীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসার জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার (ওসিসি)-এ ভর্তি করা হয়েছে।

বিশ্বনাথ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মাহবুবুর রহমান জানান, ঘটনায় মামলা গ্রহণ করা হয়েছে এবং প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পলাতক অন্য আসামিদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশের একাধিক দল অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *